Monday, 15 July 2024

"তুমি কে আমি কে? রাজাকার, রাজাকার!"

 সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার জন্যই এদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে দেশটা স্বাধীন করেছে।

স্বাধীন বাংলাদেশে কোন বৈষম্যের ঠাই নাই, দেশটা কারো বাপের না। 


ইতিহাস পরিবর্তন হচ্ছে একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে! 

চোরের মতো অনেকেরই দেশ ছাড়তে হবে সেদিনের অপেক্ষায়!


❝ আমি যদি রাজাকার, তুমি তবে স্বৈরাচার 

  স্বৈরাচার নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক। ✊

যেই ঢাবি থেকে একসময় স্লোগান এসেছিল- "তুই রাজাকার তুই রাজাকার", সেই ঢাবি থেকেই আজ স্লোগান আসে-


"তুমি কে আমি কে? রাজাকার, রাজাকার!"

১৩ থেকে ২৪













Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali

Thursday, 20 April 2023

বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন দেশ নায়ক তারেক রহমান।



পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মুবারক।

ব্যক্তি জীবনকে সুন্দর, পরিশুদ্ধ ও সংযমী করে গড়ার লক্ষ্যে মোমিন মুসলমানেরা মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে ঈদুল ফিতর সমাগত।
বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর। উৎসব মানুষের আনন্দময় স্বত্তার জাগরণ ঘটায়। তার আত্মাকে মিলনের বোধে উদ্দীপ্ত করে। ঈদ মুসলমানদের জীবনে আল্লাহ তা’আলার এক অমূল্য নিয়ামত। সমাজের সকল ভেদরেখা ও সীমানা অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলন ঘটায় ঈদুল ফিতরের উৎসব। সৃষ্টি করে পরষ্পরের প্রতি আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছাবোধ। ধনী-গরিব, উচু-নিচু নির্বিশেষে সকল মানুষকে নিবিড় ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করে। হানাহানি, হিংসা, বিদ্বেষ এবং তিক্ততার গ্লানি থেকে মানুষের মনকে এক অনাবিল স্বর্গীয় শান্তি ও সম্প্রীতির বোধে উদ্দীপ্ত করে ঈদুল ফিতরের উৎসব। তাই আজকের এই উৎসবের দিনে প্রতিটি মুসলমান নর-নারী সৌহার্দ্যরে বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আনন্দকে একত্রে উপভোগ করতে হবে।
চাঁদাবাজীর জুলুম, সন্ত্রাসের নানা ডালপালা এবং জিনিসপত্রের অভিঘাত সত্ত্বেও ঈদ আমাদের জাতীয় জীবনে সংস্কৃতির দ্যোতক, আবহমান কাল থেকে শুভেচ্ছা ও আনন্দের আদান-প্রদান।

ঈদুল ফিতরের দিনে আমি আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য।

আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
-তারেক রহমান








Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali



Thursday, 1 September 2022

সংগ্রাম সাফল্য গৌরবের ৪৪ বছর !


 


"যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা"


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ।

১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নতুন এ দলটিকে সংগঠিত করে এর রূপকার হয়েছিলেন। তিনি ’৭৫-এর আগস্ট-পরবর্তী সংকটময় দশা থেকে দেশের রাজনীতি, সমাজ, অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামরিক বাহিনীকে সুশৃঙ্খল করা এবং সরকার ও রাষ্ট্র প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে নেওয়া এবং নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশকে একটা সুস্থ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের যথার্থ উন্নয়নের ধারায় সুস্থিতি দেওয়ার লক্ষ্যে একটা অসাধারণ উদ্ভাবনমূলক ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ সুপ্রতিষ্ঠার টেকসই ভিত্তিভূমি তৈরি করতে তাঁর জীবনের শেষ দিনটি অবধি প্রচ- লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাঁর সেই ভূমিকাই বিএনপিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম সেরা রাজনৈতিক দলের মর্যাদা দান করেছে।


১৯৭২-১৯৭৪ সময়ের আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৯৭৫-এর জানুয়ারি থেকে একদলীয় বাকশাল সরকারের আমলে দেশবাসীর অর্থনৈতিক দুর্দশা চরমে পৌঁছে। ’৭৫-এর আগস্টে সেনাবাহিনীর একটা ক্ষুদ্র অংশের সমর্থনে বাকশাল সরকারের কয়েকজন নেতার চক্রান্তে যে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে সেসব ‘ব্যর্থ-রাষ্ট্র’সুলভ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে বাংলাদেশকে একটা গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন তৎপরতার ব্যাপক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার সংগ্রামে অবদান রেখেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেই রাষ্ট্রিক ক্রিয়াকর্মের সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে তিনি এই বিএনপি সংগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। ’৭১-এর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ’৭৫-এর মধ্যভাগে জাতির চরম দুর্দশার দিনে রাষ্ট্রটিকে সঠিক শৃঙ্খলার পথে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আবার হাল ধরেছিলেন দেশবাসীর সমর্থনে। সেই মুক্তিযুদ্ধ প্রারম্ভকালে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে দখলদার বর্বর পাক বাহিনীর বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ ধ্বংসের লক্ষ্যে পরিচালিত বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে মেজর জিয়া তাঁর অধীন প্রায় ৩০০ বাঙালি সেনার কমান্ডার-রূপে বিদ্রোহ করে দেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সেই সামরিক অফিসার জিয়াউর রহমান কালক্রমে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী-প্রধান, প্রেসিডেন্ট এবং রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিলেন, একজন সফল রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করতে পেরেছিলেন নিজেকে। বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন সাফল্য দৃশ্যমান তার আসল রূপকার সত্তর দশকের মধ্যভাগ থেকে শেষ ভাগ এবং আশির প্রথম ভাগের রাষ্ট্রনেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।


এ দেশের রাজনীতির ওয়াকিবহাল মানুষমাত্রই উপলব্ধি করে থাকবেন এবং করবেন, যত মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) প্রতিষ্ঠা করা হয়ে থাক না কেন, দেশের সব রাজনৈতিক দলকে বিলুপ্ত করে এবং সব সংবাদপত্র অবলুপ্ত করে চারটি মাত্র শতভাগ-সরকারি মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা চালু রেখে যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল তা এ দেশে ও বহির্বিশ্বে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। সুযোগের-অপেক্ষায় থাকা বাকশাল সরকারের ক্ষমতালোভী ও চক্রান্তকারী অংশ খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে এবং সামরিক বাহিনীর একটা বিভ্রান্ত-অংশ (ছয় মেজর ও ১১ জুনিয়র অফিসারের যৌথ নেতৃত্বে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের সহায়তা-লাভের মাধ্যমে)-কে ব্যবহার করে এ অঞ্চলের একটি কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী এ ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল মদদদাতা হিসেবে কাজ করে। তাদের পেছনে ‘বিশ্বমোড়ল’-খ্যাত একটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার সমর্থন ছিল বলে যৌক্তিক তথ্য-উপাত্ত-সংবলিত অভিযোগ পাওয়া যায়।


’৭৫-এর মধ্য-আগস্ট থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অবধি নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের একপর্যায়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ভোরে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হন এবং নতুন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের অধীনে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। বস্তুত সেনাপ্রধান ও এক নম্বর উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসকরূপে দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হন। জেনারেল জিয়া তখন থেকেই কার্যত রাষ্ট্রের প্রধান নীতিনির্ধারকে পরিণত হয়েছিলেন। বস্তুত সামরিক বাহিনীর ভিতরে এবং জনগণের মধ্যে জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে বড় নেতা হওয়ার আস্থা সৃষ্টি হয়েছিল Ñ’৭১ সাল থেকে সেই সময় অবধি তাঁর দেশপ্রেমমূলক কর্মকান্ডের বহিঃপ্রকাশ দেশ-জনতা প্রত্যক্ষ করেছিল। তারপর অচিরেই তখনকার বাস্তবতায় বিকল্পহীন পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হন এবং তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরো সামরিক শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেন। সে প্রক্রিয়ার সময় জিয়াউর রহমান প্রথম দিকে একবার রাজনীতি না করে পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর সংগঠিত শক্তির কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি সেনাছাউনিতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তখন দেখলেন, দেশের সামরিক বাহিনীর ক্যান্টনমেন্টগুলোয় তখনো ‘তথাকথিত বিপ্লবের নামে’ নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা ছাড়াও রাজনৈতিক পরিম-লে শক্তিশালী কোনো রাজনৈতিক দল নেই বা যারা আছে তারা দেশবাসীর আস্থা অর্জনে সক্ষম নয়।


তখন জিয়াউর রহমান বাধ্য হয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের রাজনীতি প্রবর্তন করেন। এর আগে ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সুদীর্ঘ সময়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কর্মকান্ডে প্রকৃত গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটা কর্মমুখী রাজনীতি চালুর তৎপরতার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক আলোচনা বৈঠক চালান। সেসব বৈঠকে দেশের মূল সমস্যাগুলোর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে তখনকার ন্যাপ (ভাসানী), বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, জাতীয় দল, জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়ন, জাতীয় জনতা পার্টি (কোরেশী গ্রুপ), গণআজাদী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শের বুদ্ধিজীবীরা অবিরাম বৈঠক করেছেন, চমৎকার মুক্ত আলোচনার সেসব সভায় দেশের নতুন রাজনীতির একটা সংগঠিত রূপদানের পক্ষে বক্তব্য প্রাধান্য পেয়েছে।


জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে দেশের গণমানুষের ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের ওপরে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছিল‘সুদৃঢ় এবং অভেদ্য জাতীয় ঐক্যবোধ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদের গ্রাস থেকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করা দুঃসাধ্য।’ এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে ৩১টি দফায় রয়েছে‘ঐক্যবদ্ধ অগ্রগতির অমোঘ দাবি : উৎপাদনের রাজনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্র’, ‘জাতীয়তাবাদভিত্তিক ইস্পাতকঠিন গণঐক্য’, ‘সার্বভৌমত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দ্রুত উন্নয়নের মাধ্যম : স্থিতিশীল গণতন্ত্র’, ‘বিলুপ্ত মানবিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন’, ‘স্থিতিশীল গণতন্ত্রের রূপরেখা, প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার, নির্বাচিত ও সার্বভৌম আইন পরিষদের মাধ্যমে সজীব ও সক্রিয় গণঅংশীদারি কায়েম’, ‘স্থানীয় এলাকা সরকার ও বিকেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক ক্ষমতা’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচারের অর্থনীতি’, ‘জাতিগঠন, সমাজসেবা ও উপার্জনমুখী কার্যক্রমে যুবশক্তির সদ্ব্যবহার’, ‘জাতীয় পররাষ্ট্রনীতির উপাদান ও লক্ষ্য : স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক প্রীতি ও সখ্য’ ইত্যাদি। এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বিক বিষয়াবলি স্থান পেয়েছে। বিএনপিকে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একটি শক্তিশালী জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়ে গেছেন তার শুরুতেই। তাই তো এত আঘাতের পর আঘাতেও বিএনপি টিকে আছে দেশের নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে। ভবিষ্যতেও দেশ ও দেশবাসীর সার্বিক মুক্তির লড়াইয়ে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই দল, রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার দল প্রচ- শক্তিতে থাকবে রাজপথে। এবং গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জনযুদ্ধের ময়দানে, আবার সরকার পরিচালনার জনপ্রতিনিধিত্ব করার জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেএকটা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা সুষ্ঠু, জনগণের প্রকৃত ভোটের নির্বাচন কায়েমের লড়াইয়ে।


 


খায়রুল কবির খোকন।

যুগ্ম-মহাসচিব, বিএনপি।






Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali



Friday, 25 February 2022

আলোকবালী ইউনিয়ন ও দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “একদিনে এক কোটি কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম


 চলমান কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণকল্পে মোট জনসংখ্যার ৭০% জনগোষ্ঠীকে ১ম ডোজের আওতায় আনতে আগামি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. তারিখে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “একদিনে এক কোটি কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম” | এই বিশেষ কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে সরকার দেশের সকলকে ১ম ডোজ কোভিড-১৯ টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

উক্ত কার্যক্রমের আওতায় জনসাধারণের টিকা গ্রহণ সহজতর করতে নিবন্ধিত/ অনিবন্ধিত সকলেই ১ম ডোজ টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। সরকার আগামি ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে অতিরিক্ত অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেশের ১৮ বছর ও তদুর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬১% কে ১ম ডোজ ও ৪৬% কে ২ ডোজ কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের কাজ সম্পন্ন করেছে। ১৮ বছর ও তদুর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি ১২-১৭ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীকেও টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও অদ্যাবধি প্রায় ৩২ লক্ষাধিক মানুষকে ৩য়/ বুস্টার ডোজ প্রদান করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, গ্রামাঞ্চলে ন্যূনতম ১৬০০০ টি ও শহরাঞ্চলে (পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন) ৮৫০০ টি অস্থায়ী টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হবে। প্রায় ৭০ হাজারের মতো ভ্যাক্সিনেটর ও স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করে যাচ্ছেন এই কর্মসূচী সফল করার জন্য। এছাড়াও স্থানীয় ভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী সকল ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগসমূহে চাহিদা মোতাবেক বুথ, ভ্যাক্সিনেটর এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সরকার দেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে যথাসময়ে টিকা প্রদান ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধির প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই কোভিড-১৯ সংক্রমণ হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সফল হয়েছে। 


বিশ্বব্যাপী টিকার অপ্রতুলতা সত্ত্বেও আমরা পর্যাপ্ত টিকা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করেছি। বর্তমানে দেশে ৬ প্রকারের (অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক এবং জনসন ও জনসন) মোট প্রায় ১০ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ টিকা মজুদ রয়েছে।


সরকার দেশের দুর্গম অঞ্চলসমূহে বসবাসরত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, ভাসমান জনগোষ্ঠী, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী, পরিবহন ও কল-কারখানাসহ সকল স্তরের শ্রমিক, গর্ভবর্তী ও স্তন্যদানকারী নারী, স্কুল-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ সকল বিশেষ জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের টিকা নিশ্চিত করে সার্বিক সংক্রমণ হার হ্রাস করার মাধ্যমে জনজীবন দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে স্থিতিশীল করতে আমরা সফল হয়েছি। এরই ফলশ্রুতিতে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও অচিরেই খুলে দেয়া হবে। চলমান মহামারী নিয়ন্ত্রণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের প্রয়াস বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে।


কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন একটি কার্যকর সমাধান। ভ্যাকসিন কোভিড-১৯ জনিত মৃত্যুঝুঁকি কমায়। গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যারা অন্তত ২ ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন তাদের অধিকাংশেরই আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হয়নি।


তাই অদ্যাবধি যারা কোডিড-১৯ ভ্যাকসিনের কোন ডোজ গ্রহণ করেননি তারা আর বিলম্ব না করে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. তারিখে নিকটস্থ কেন্দ্র হতে আপনার প্রাপ্য ১ম ডোজ টিকা গ্রহণ করুন এবং অন্যকেও টিকা গ্রহণে উৎসাহিত করুন।










Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali




Wednesday, 16 February 2022

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ ❝একদিনে এক কোটি ❞ কোভিড ভ্যাক্সিন ক্যাম্পেইন ।

 



একটি বিশেষ ঘোষণা - 


আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ,২০২২ এ ২৬  সমপন্ন হবে  টিকার ১ম ডোজ প্রদান কর্মসূচি।


যথারীতি চলবে ২য় ও ৩য় ডোজ এর কার্যক্রম। 

সুতরাং সবাইক  অনুরোধ করা হচ্ছে, যারা এখনও টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন নি, তারা অবশ্যই আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনার টিকা বুঝে নিন। 


গবেষণায় দেখা গেছে, করোনায় টিকা নেওয়া থাকলে সংক্রমিত হওয়ার পরও মৃত্যু কিংবা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৯০ শতাংশেরও কম। এছাড়া অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত টিকা না নেওয়া করোনাভাইরাস রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার প্রায় ৩২% এবং পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়া রোগীদের ভর্তির হার প্রায় ১০%। 


সুতরাং নিজে টিকা নিন, অন্যকেও টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করুন। টিকা নিলেও মাস্ক ব্যবহার করুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।









Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali




Friday, 11 February 2022

🔴কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরিস্থিতি তারিখ: ১১ ফেব্রুয়ারি ,২০২২


 

🔴কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরিস্থিতি
তারিখ: ১১  ফেব্রুয়ারি ,২০২২

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি
শনাক্ত: ৫,২৬৮
সুস্থ: ১১,৩৫৩
মৃত্যু:২৭

✅ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন , সঠিক নিয়মে মাস্ক পরুন , নিরাপদে থাকুন
✅ টিকা নিন
✅ টিকা গ্রহণের পরেও নিয়মিত মাস্ক পরুন।
✅ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি  অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
✅ সেবা পেতে মাস্ক পরুন। No mask no service

#Cyber71Alokbali






Facebook Pages Follow On- https://www.facebook.com/Cyber71Alokbali/


© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সাইবার ৭১ - We Work To Protect Alokbali





"তুমি কে আমি কে? রাজাকার, রাজাকার!"

 সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার জন্যই এদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে দেশটা স্বাধীন করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশে কোন বৈষম্যের ঠাই নাই, দেশটা কারো ...